পোস্টগুলি

Memorable History লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

।। চা এর সাথে 'টা' না হলে খুব একটা জমে না , আর এই ''টা'' এর জগতে দীর্ঘদিন রাজ করছে, বাঙ্গালীর কোম্পানি ‘বিস্কফার্ম' ।।

ছবি
সকালে উঠে যখন এক কাপ চা নিয়ে বসি তখন মনে  হয় এর সাথে দুটো বিস্কুট হলে মন্দ হয় না। অথবা অফিসে বসে এক কাপ চায়ে চুমুক দিয়ে মনে হয় একটা টোস্ট বা মেরি বিস্কুট হলে ভালই হয় , পেট টাও একটু  ভরে মুখটাও ভাল লাগে , পাড়ার মোড়ে যখন আড্ডা দিই তখন চায়ের সাথে হরেক রকম স্বাদের বিস্কুট হলে আড্ডাটা সত্যিই জমে যায় । এই বিস্কুট তৈরী করেই কৃষ্ণদাস পাল থেকে হয়ে উটলো কে. ডি. এবং  ২০০০ সালে শুরু হল ‘সাজ ফুড প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেড’,যে কোম্পানির প্রধান প্রোডাক্ট হল ‘বিস্কফার্ম বিস্কুট’।  কৃষ্ণদাস পাল ছিলেন বর্ধমান গ্রামের ছেলে । কলকাতায় আসার পর  পড়াশোনার সাথে সাথে বাবার কাজে সাহায্য ও করতেন । পড়াশোনায় ভালো থাকার জন্য আইন নিয়েও পড়াশোনা করেন । পড়াশোনার গণ্ডি পার করার পর কৃষ্ণ দাস পাল তার বাবার ইচ্ছায় ব্যাবসায় মন দেন । শুরু করলেন বাবার তৈরী ডিস্ট্রিবিউশন হাউস থেকে । এরপর কেমিক্যালসের ডিরেক্টর সমরেশ দাশগুপ্ত  মারা গেলে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সেই কোম্পানির শেয়ার কিনে নেন কৃষ্ণদাস।  কিন্তু  কিছদিন পরেই এই শেয়ার বিক্রি করে দিতে হয় বিভিন্ন শত্র...

।।স্বামী বিবেকানন্দ- র স্মৃতি চারণা।। অনেক অজানা ঘটনা জানার আছে আমাদের ।

ছবি
 •        স্বামীজি-র  ভয়-কে জয় করার বিধান ১৮৮৭ সালে স্বামী প্রেমানন্দ কে সঙ্গী করে গিয়েছিলেন বারাণসী। একদিন রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন স্বামীজি। হঠাই বেশ কয়েকটি বানর তাড়া করল স্বামীজিকে।  তিনি ছুটতে শুরু করে। কিন্তু বানর গুলোও তাঁর পেছনে ছুটতে থাকে । এমন সময় একজন বৃদ্ধ সন্যাসী বললেন, জানোয়ারগুলোর মুখোমুখি রুখে দাঁড়াও'| থমকে গেলেন স্বামীজি। সাহসে করে ঘুরে দাঁড়ালেন। বানরগুলো দাঁড়িয়ে পড়ল। তারপর একটু পরে ছুটে পালাল। এই ঘটনা থেকে একটা শিক্ষা পেয়েছিলেন স্বামীজি তা হলো যেটি খারাপ তার মুখোমুখি যদি দাঁড়ানো যায় তাহলে সেটিও পালানোর পথ খুঁজে। পরে নিউইয়র্কে বক্তৃতা দিতে গিয়ে উল্লেখও করেছিলেন বিষয়টির। বলেছিলেন, 'ভয়ঙ্কর মুখোমুখি দাঁড়াও, সাহসের সঙ্গে সম্মুখীন হও। জীবনের দুঃখ, কষ্ট দেখে আমরা যখন আর পালিয়ে যাই না, এই বানরগুলোর মতোই তারা তখন আমাদের কাছ থেকে পিছু হটে যায়। যদি আমাদের মুক্তি পেতে হয়, তবে প্রকৃতিকে জয় করে তা পেতে হবে-প্রকৃতি থেকে পালিয়ে গিয়ে নয়। কাপুরুষ কখনও জয়ী হয় না। যদি আমরা চাই যে ভয়, বাধা বিপত্তি এবং অজ্ঞতাই...

সাফল্য পাওয়ার কোনও শর্টকাট পথ নেই

ছবি
১৬ নভেম্বর ২০১৩ , শনিবার সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নির্ঘাৎ   চিনচিনে ব্যথা অনুভব করেছিল সে দিনের শচীন । সেই অনুভবের সাক্ষী ছিলেন তিনি একা। যা অন্য কারও সঙ্গে শচীন ভাগ করে নিতে পারবেন না। অবশেষে  প্রায় সিকি শতাব্দী স্থায়ী শচীন যুগের অবসান হল। শনিবার মধ্যাহ্নে ক্রিকেট থেকে শচীনের চিরবিদায়ের লগ্নে সাক্ষী থাকল ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। গ্যাব্রিয়েলের মিডল স্টাম্প উপড়ে দিয়ে মহম্মদ সামি মাত্র ৪৭ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসের উপর ইতি টেনে দেন ১৮৭ রানে। ১২৬ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাস্ত করে শচীনের বিদায়ী সিরিজ ভারত জিতে নিল ২-০ তে। অতঃপর পুরস্কার বিতরণের পর  শচীনের হাতে মাইক তুলে দিলেন রবি শাস্ত্রী। তখনও ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছেড়ে যাননি একজনও। ‘শচীন...শচীন’ স্লোগান উঠছে চারিদিক । আবেগে কেঁপে উঠল শচীনের গলা। মাইক হাতে তার প্রথম বাক্য—‘ফ্রেন্ডস, সেটেল ডাউন। নইলে আমি আরও বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ব। এতদিন ক্রিকেট মাঠের ২২ গজের মধ্যে আমার জীবন ছিল । কেন্দ্রীভূত। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, সেই সুন্দর সফরের আজ অবসান হতে চলেছে। ধন্যবাদ জানানোর জন্য । আ...

নিজের অজান্তেই ভুল

যতীন এর বন্ধু ছিলো দীপঙ্কর।তিনি পেশায় ছিলেন একটি ইন্সুরেন্স কোম্পানী র এজেন্ট। তিনি এ গ্রাম থেকে শহর ঘুরে বেশ ভালোই কাটছিল । মাইনে পত্র যা পেত এবং কমিশন যা পেত তা দিয়ে তার মোটামুটি ভালই যেত।একদিন দীপঙ্কের এর বন্ধু যতীন এর বাড়ি এলো। যতীন: ওহে দীপঙ্কর বাড়ি আছো।দীপঙ্কর বাইরে এলো। শান্ত ভদ্র লোকটি । সাতে পাঁচ এ থাকে না। দীপঙ্কর:  ও যতীন। তা ভায়া পথ ভুলে নাকি। যতীন মৃদু স্বরে বললো ভায়া খুব বিপদে পরে তোমার কাছে এসছি। ২০০০ টাকা ধার হিসেবে দেবে পরের মাসেই দিয়ে  দেবো। দীপঙ্কর বললো ঠিক auche ভায়া কোনো চিন্তা নেই।বলে ঘরের মধ্যে ঢুকে গেলো।২মিনিট পরে বেরিয়ে এসে বললো যতীন একটু আমার সাথে চলো বাড়িতে নেই এখন এতো টাকা। সামনের ATM   চলো তুলে দিচ্ছি।।২ জনে গেলো সেখানে এবং টাকা তুলে যতীন এর হাতে দিয়ে বললো ঠিক আছে ।আর লাগবে না তো।। যতীন বললো::: তুমি যে কী উপকার করলে কোনোদিন ভুলবো না। বলে যতীন হন্তদ্ন্ত হয়ে হাঁটা লাগালেন।  তার বন্ধু যতীন ও ওই একই কোম্পানী র কেরানী র চাকরী করতো।তিনিও যে খুব খারাপ মাইনে পত্র পেত  তা নয়।তবে তার একটা দোষের মধ্যে ছিল সে অফিস থেকে এসে জুয়ার ঠে...